Search This Blog


নারীদের যেসব গোপন ইচ্ছা কখনো প্রকাশ করে না

কিছু তো গোপন ইচ্ছা থাকতেই পারে। গোপন স্বপ্ন বা গোপন চাওয়া-পাওয়া। সেই চাওয়া-পাওয়া ও ইচ্ছা গুলো পুরুষরা প্রকাশ করলেও বিশেষ করে নারীরা এই কাজে বিশেষ সতর্ক। তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া এমন অনেক কিছুই আছে, যেটা একজন নারী গোপনে গোপনে আকাক্সক্ষা করেন। অথচ মুখে বলেন সম্পূর্ণ উল্টো কথা। কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক নারীদের এমন কিছু গোপন ইচ্ছার কথা, যেগুলো তাদের বুক ফাটলেও মুখ ফুটে প্রকাশ করেন না .. ১) কারো ভালো লাগুক বা না লাগুক, এ কথা অস্বীকারের কোনই উপায় নেই যে প্রত্যেক নারীই আর্থিকভাবে সচ্ছল কোন পুরুষকে বিয়ে করতে চান। নারীদের একটা বড় অংশই চান স্বামী পুরুষটি হোক ধনী।

জেনে নিন পুরুষের ত্বকের যত্নে ৩টি জরুরি ধাপ

একটি সময় ভাবা হতো, রূপ সৌন্দর্যের বিষয়গুলো কেবল মেয়েদের এখন বদলেছে সেই ধারণা । সুন্দর নারী যেমন সবাই কামনা করে; তেমনি সুদর্শন , স্মার্ট, পরিচ্ছন্ন পুরুষও মন কাড়ে অনেক নারীর। বুদ্ধিতে, পোশাকে, সৌন্দর্যে, ব্যাক্তিত্বে অসাধারণ পুরুষ নারীর কাঙ্ক্ষিত। তাই সৌন্দর্য ধরে রাখতে পুরুষরাও রূপচর্চা করতে পারেন। নিজেকে স্মার্ট, প্রেজেন্টেবল ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে হলে দেহের পাশাপাশি ত্বকেরও যত্ন নিতে হবে। এটা যে শুধু সৌন্দর্যচর্চা তা নয় বরং স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং পরিচর্যাও।

দুই মিনিটেই ঝকঝকে সাদা দাঁত

সুন্দর হাসি মানেই সুন্দর মন। আর সুস্থ সুন্দর হাসির জন্য চাই ঝকঝকে সাদা দাঁত। নিয়মিত নামী দামী টুথপেস্টের ব্যবহারেও অনেক সময় দাঁত ঝকঝকে হয় না। তাই ঝকঝকে দাঁত পেতে চাইলে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে কলার খোসা। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। কলার খোসার ব্যবহারেই আপনার দাঁত হয়ে উঠবে ঝকঝকে সাদা।
কীভাবে করবেন প্রথমে খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়।

সুন্দরী থাকুন আজীবন সপ্তাহে মাত্র একবার করুন এই কাজটি !

এই ব্যস্ত জীবনে কার এত সময় আছে ত্বকের যত্নে ব্যয় করার? কিন্তু তারপরও আমরা সবাই চাই ব্রণহীন, উজ্জ্বল, মসৃণ ও ফর্সা ত্বক। হ্যাঁ, আপনি চাইলেও কিন্তু পেতে পারেন তা। না, পার্লারে যেতে হবে না। 

১০ মিনিটের মধ্যে মাথা ব্যথা দূর করার ৪টি উপায়

মাঝে মাঝে মাথা ব্যথা হলে অনেক সময় আমরা ভাবি, রাতে ভালো ঘুম হয়নি বলেই হয়তো এই ব্যথা হচ্ছে। কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে। দাঁতে দাঁত চাপা কিংবা দীর্ঘক্ষণ ঠোঁট আড়ষ্ট হয়ে থাকা থেকেও মাথা ব্যথা হতে পারে। কারো মাইগ্রেন আবার কারো এমনিতেই। এই ব্যথা হুট করে শুরু হয়ে যায় এবং এতোটাই তীব্র যে কোনো কাজই ঠিক মত করা যায় না। মাথা ব্যথা কখনো মাথার এক পাশে আবার কখনো উভয় পাশেই প্রচন্ড চাপ অনুভূত হয়ে ব্যথা হয়। অনেকে দুচোখে ঝাপসা দেখে থাকেন এই সময়। বিশেষ করে মাইগ্রেনের ব্যথার কোনো স্থায়ী উপশম নেই। তবে ব্যথা শুরু হওয়ার পর তা দ্রুত দূর করার জন্য করতে পারেন কিছু দারুণ কৌশল, তা তুলে ধরা হলো এখানে। ১। আদা চিবোন এবং আদা চা পান করুন। আদায় রয়েছে ‘প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সিনথেসিস’ যা অ্যাসপিরিন এবং ব্যথানাশক ওষুধে ব্যবহার করা হয়। তাই মাথা ব্যথা শুরু হওয়া মাত্র আদা ছিলে নিয়ে চিবনো শুরু করুন। এতে ব্যথা উপশম হবে দ্রুত। এছাড়া এক কাপ পানিতে আদা সামান্য ছেঁচে নিয়ে ফুটিয়ে সামান্য মধু দিয়ে পান করতে পারেন আদা চা। এতেও দূর হবে মাথা ব্যথা দ্রুত।

গোলাপি ঠোঁট পেতে যা করবেন

ঠোঁটের কালচেভাব আমাদের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে ক্ষুণ্ন করে। অনেক কারণেই ঠোঁট কালো হতে পারে বা ঠোঁটে কালো কালো দাগ পড়তে পারে। বাতাসের আর্দ্রতা, শারীরিক অসুস্থতা, তামাক সেবন, ধূমপান করা, কেমোথেরাপি, অতিরিক্ত ফ্লুরাইড এর ব্যবহার, নিম্ন মানের কসমেটিকস এর ব্যবহার, রাতে ঘুমানোর আগে লিপস্টিক না তোলা, সরাসরি সূর্যের আলো পড়লে, ইত্যাদি কারণে ঠোঁটে কালো দাগ হয়। চাইলে নিজেই ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনার ঠোঁটের গোলাপি আভা- 

ফর্সা ত্বক পেতে যা করবেন

ত্বকের ফর্সা রঙ পেতে অনেকেই অনেকরকম প্রচেষ্টা করে থাকেন। চাইলে ঘরে বসেই নিতে পারেন ত্বকের যত্ন। আর তা আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নিই- শশার মাস্ক ব্যবহার করলে একই সাথে ত্বক পরিস্কার, ক্লান্তি ও উজ্জ্বলতা কেটে যাবে। 

লিপস্টিক ব্যবহারে সতর্কতা

ঠোঁটকে সুন্দর রাখতে নারীরা লিপস্টিক ব্যবহার করেন। সঠিকভাবে লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট অনেক সুন্দর হয়ে ওঠে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোথায় ও কোন সাজের সঙ্গে ব্যবহার করছেন। এবার জেনে নেয়া যাক, লিপস্টিক ব্যবহারের কিছু কৌশল-

আপনার ত্বককে টানটান করে তুলবে যে ৭ টি উপাদান

দাগমুক্ত উজ্জ্বল ত্বক কে না পছন্দ করে। কিন্তু ব্যস্ত এই জীবনে রূপচর্চা করার মত এত সময় কই? যদি এক মিনিটে ত্বকের সব সমস্যা দূর করা যেত তাহলে কেমন হত? এক মিনিটে না হলেও সাত মিনিটে ত্বক দাগ মুক্ত করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। ঘরোয়া কিছু উপাদান আছে যা নিয়মিত ব্যবহারে ত্বককে দাগমুক্ত করে টানটান করে তুলবে। তার সাথে উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি করে থাকবে। খুব বেশি সময় লাগে না এই কাজগুলো করার জন্য। আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুঘরী উপায়গুলো।

জেনে নিন, মশা তাড়ানোর সহজ উপায়

গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আশেপাশে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। এডিস মশার প্রভাবে ডেঙ্গু জ্বরেও ভুগছেন অনেকে। কষ্ট আর ভোগান্তির চরমে থাকে ডেঙ্গু রোগীর শারীরিক অবস্থা। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে ঘরের আশপাশে ঝোপঝাড়, নালা বা জলাশয় পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। এরপরও ঘরে আশা মশা তাড়াতে সুরক্ষা হিসেবে ব্যবহার করা হয় নানা রকম স্প্রে বা কয়েল, যার বেশিরভাগই বিষাক্ত। ঘরের সদস্য, বিশেষত শিশুদের জন্য এগুলো অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই দরকার স্বাস্থ্যকর উপায়ে ঘরের মশা তাড়ানো। দেখে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরের মশা তাড়ানোর উপায়। নিমের তেল নিমের তেলের গন্ধ মশা তাড়াতে দারুণ সহায়ক। তাই নিমের তেল ও নারিকেল তেল সমান পরিমাণে মিশিয়ে শরীরে মাখলে মশা কামড়ায় না।
তুলসি গাছ মশার ঘরে আসা ঠেকাতে জানালার পাশে তুলসি গাছ লাগানো যেতে পারে। এই গাছের বিশেষ উপাদান মশার বংশ বিস্তার রোধ করে। লেবুর তেল/ইউক্যালিপটাস তেল লেবুর তেল এবং ইউক্যালিপটাস তেল মশা তাড়ানোর উপযোগী একটি উপায়। এসব তেলে রয়েছে সিনিওল নামক উপাদান। যা গায়ে মাখলে অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি পোকামাকড় তাড়াতে সাহায্য করে। কর্পূর কর্পূর মশা তাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর একটি উপকরণ। এই উপাদান মশা তাড়াতে সব থেকে দীর্ঘ সময় কাজ করে। দরজা জানালা বন্ধ করে কর্পূর পোড়ানো হলে তা মশামুক্ত রাখতে সাহায্য করে। রসুন রসুনের তীব্র গন্ধও মশা তাড়াতে কার্যকরী। এজন্য কয়েক কোয়া রসুন থেতলে পানিতে সেদ্ধ করতে হবে। ওই পানি সারা ঘরে স্প্রে করে দিলেই মশার যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

জেনে নিন, জন্মনিয়ন্ত্রণের নতুন ও সহজ উপায় !

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল গ্রহণে বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, স্তন ব্যথা, ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ নানা রকমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় কথা বলে থাকেন নারীরা। অনেক নারী আবার কনডমসহ অন্যান্য কৃত্রিম পদ্ধতি ব্যবহারে অনিচ্ছুক। ইলিনা -রাউল দম্পতি

শীতের আগেই যত্ন

গরমটা আছে এখনো। তবে রাতের শেষ ভাগে একটু যেন শীতের ছোঁয়াটাও পাওয়া যায়। আবহাওয়া এখন এমনই। শীতের আগমনী বার্তা মাঝেমধ্যেই টের পাওয়া যাচ্ছে। ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন এখন থেকেই। বাড়তি কিছু নয়। শুধু দরকার নিয়মিত পরিচর্যা। যে প্রসাধনীগুলো

চুলে ফুলের সাজ

শরৎকাল! শিউলি, কাশফুল আর সাদা মেঘের ঘনঘটা চারপাশে। সাজ সাজ রবে এগিয়ে আসছে শারদীয় দুর্গাপূজা। মনের মাঝে বাজতে শুরু করেছে ঢাকের টাকডুম টাকডুম বোল। শুধু কি তাই! চাই নতুন জামা, শাড়ি, চুড়ি আরও কত-কী অনুষঙ্গ। কত বেছে কত ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করতে হয় নিজের পছন্দের জিনিসটা। কত উত্তেজনা সে সবে। এত সবের মাঝে ভুলে যাচ্ছেন কি? এত সাজের সমাহারের মাঝে আপনার প্রিয় চুল সাজানোর কথা? ভেবেছেন? কীভাবে সাজাতে চান আপনার চুলরাশি। পূজায় চুল সাজাতে নিশ্চয়ই ফুলের কথাই ভাবছেন? হ্যাঁ, চুল সাজাতে ফুলের যে জুড়ি নেই।

জেনে নিন, ছারপোকা তাড়াতে কি করবেন…

ছারপোকা সিমিসিডে গোত্রের একটি ছোট্ট পতঙ্গ বিশেষ। এ পোকাটি বিছানা, মশারি, বালিশের এক প্রান্তে বাসা বাঁধলেও ট্রেন কিংবা বাসের আসনে ও এদের দেখা মেলে। বিছানার পোকা হলেও এর অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে- ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসাবাবপত্র। পুরোপুরি নিশাচর না হলেও ছারপোকা সাধারণত রাতেই অধিক সক্রিয় থাকে এবং মানুষের অগোচরে রক্ত চুষে নেয়। ঘরে ছারপোকার আক্রমণ ঘটলে অশান্তির শেষ থাকে না। চলুন এক নজরে দেখে নেই এই জ্বালাতনকারী পোকাটিকে কিভাবে সহজেই ঘর থেকে তাড়ানো যায়-
১. বিছানাসহ অন্যান্য জায়গা থেকে ছারপোকা তাড়াতে সারা ঘরে ভালো করে ভ্যাকুয়াম করুন। ভ্যাকুয়াম করার সময় খেয়াল রাখুন যাতে ঘরের মেঝেও বাদ না পড়ে। এতে করে আপনার ঘরে ছারপোকার আক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে। ২. ছারপোকা মোটামুটি ১১৩ ডিগ্রি তাপমাত্রাতে মারা যায়। ঘরে ছারপোকার আধিক্য বেশী হলে বিছানার চাদর, বালিশের কভার, কাঁথা ও ঘরের ছারপোকা আক্রান্ত জায়গাগুলোর কাপড় বেশী তাপে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। ছারপোকা এতে মারা যাবে। ৩. ঘরের যে স্থানে ছারপোকার বাস সেখানে ল্যাভেন্ডার অয়েল স্প্রে করুন। দুই থেকে তিনদিন এভাবে স্প্রে করার ফলে ছারপোকা আপনার ঘর ছেড়ে পালাবে। ৪. এক লিটার পানিতে ডিটারজেন্ট যেমন সার্ফ এক্সেল ঘন করে মিশিয়ে স্প্রে করুন। এ উপায়ে স্প্রে করার ফলে ছারপোকা সহজেই মারা যাবে। ৫. আসবাবাপত্র ও লেপ তোশক পরিষ্কার রাখার সাথে সাথে নিয়মিত রোদে দিন। এতে করে ছারপোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার সাথে সাথেই ছারপোকা থাকলে সেগুলো মারা যাবে। ৬. আপনার ঘরের ছারপোকা তাড়াতে অ্যালকোহল ব্যবহার করতে পারেন। ছারপোকা প্রবণ জায়গায় সামান্য অ্যালকোহল স্প্রে করে দিন দেখেবেন ছারপোকা মরে যাবে। ৭. ছারপোকার হাত থেরে রেহাই পেতে আপনার বিছানা দেয়াল থেকে দূরে স্থাপন করুন। শোয়ার আগে ও পরে বিছানা ভালো করে ঝেড়ে ফেলুন সাথে পরিষ্কার পরিছন্ন থাকুন।

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন ?

প্রায়ই দেখা যায় ছেলেদের দেখলেই মেয়েরা ওড়না ঠিক করতে চায়। এটা কেন করে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক পাঠক লিখেছেন, হ্যাঁ। এটা সত্য এবং খুব সচরাচর দেখা যায়। এটা কী কারণে করে সেটা বলা মুশকিল। তবে ওড়না ঠিক করার ধরণভেদে সেটার বিভিন্ন অর্থ হতে পারে।

জেনে নিন কিভাবে প্রস্তাব করলে একটি মেয়ে প্রথমবারেই রাজি হবে!

জেনে নিন কিভাবে প্রস্তাব করলে একটি মেয়ে প্রথমবারেই রাজি হবে! ১০০% নিশ্চিত রাজি হবে..

বাসর রাতের করনীয়-বর্জনীয়, যা না জানলেই নয়!

১. প্রশ্ন : বাসর রাতে নববধু কিভাবে সজ্জিত হবে? উত্তর : নববধু মেহেদি ব্যবহার করবে, অলংকার পরবে এবং সধ্যমত শরীয়ত সম্মত উপায়ে সেজেগুজে উত্তম পোশাক-পরিচ্ছেদে সজ্জিত হবে। (দেখুন- আহকামে জিন্দেগী) ২. প্রশ্ন : বাসর ঘরে প্রবেশ করে কোন নামাজ পড়বে কি না? 

বিনা পয়সার যে খাবারটি আজীবন যৌবন ধরে রাখে, নতুন চুল গজায়!!

সমস্যা সমাধান ও রোগ নিরাময়ের জন্য আমরা কত কিনা করি। চিকিৎসা করতে গিয়ে বেশ ক্ষতি ডেকে আনি নিজেদের জন্যই। কষ্ট লাঘবে তখন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টা মাথায় থাকে না। বিশেষ করে টাইফয়েড জ্বর, ডায়রিয়া, কলেরার মতো পেটের রোগে অ্যান্টিবায়োটিকও চলে আকছার। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত ওই সব ওষুধগুলির দামও অনেক সময় নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে হয়ে যায়। অথচ আমাদের হাতের কাছেই কিছু ভেষজ গাছ রয়েছে, যেগুলি অত্যন্ত অল্প দামে বা একটু খুঁজলে বিনামূল্যেও পাওয়া যায়, আমরা জানি না। অনেক সময় জেনেও, বিশ্বাস হয় না। তেমনই একটি ভেষজ উদ্ভিদ হল থানকুনি। থানকুনি আমাদের অতিপরিচিত পাতা। পুকুরপাড় বা জলাশয়ে হামেশাই দেখা মেলে। কথায় বলে, পেট ভালো থাকলে মনও ফুরফুরে থাকে। চিকিত্‍সকরাই বলছেন, থানকুনি পাতার এমন ভেষজ গুণ রয়েছে, মিয়মিত খেতে পারলে, পেটের অসুখে কোনও দিনও ভুগতে হবে না। শরীর-স্বাস্থ্য তো সতেজ থাকেই, ছোট থেকে খাওয়াতে পারলে বুদ্ধিরও বিকাশ হয়। দেখে নেওয়া যাক, যৌবন ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে থানকুনি পাতার ভেষজ গুণগুলি।

অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের পরিণাম! যা শুনলে আতকে উঠবেন আপনি…

হস্তমৈথুন এমন একটি অভ্যাস যা একবার কাউকে পেয়ে বসলে ত্যাগ করা খুবই কষ্টকর হয়ে দাড়ায়। শুধু তাই নয়, অভ্যাসটি এক সময় অনেকের যৌন জীবন বিপর্যস্ত করে তুলে। হস্তমৈথুনের কারণে দুই ধরনের সমস্যা হয়- মানসিক সমস্যা ও শারীরিক সমস্যা। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যে ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে: 
অকাল বীর্যপাত(Premature Ejaculation)। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়। বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না।। বীর্য পাতলা হয়ে যায় (Temporary Oligospermia)- Oligospermia হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম। যার ফলে Male infertility দেখা দেয়। অর্থাৎ সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতা দেখা দিতে পারে। একজন পুরুষ যখন স্ত্রীকে রমন করেন তখন তার পুরুষাঙ্গ থেকে যে বীর্য বের হয় সেই বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত। বিজ্ঞান বলে, কোনও পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ কোনও সন্তানের জন্ম দিতে পারেন না। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়। Nervous system, heart, digestive system, urinary system এবং আরও অন্যান্য system ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরো শরীরদুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ-বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায়। চোখের ক্ষতি হয়। স্মরণ শক্তি কমে যায়। মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরও অনেক সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে। আরেকটি সমস্যা হল Leakage of semen। অর্থাৎ সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হওয়া। শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা। যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হওয়া অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া। শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন: হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে। দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারণ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন। হস্তমৈথুনের ফলে অনেকেই কানে কম শুনতে পারেন

পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা ও তার সমাধান


মাঝে মধ্যে অনেক পুরুষ যৌনমিলনের সময় নিজেদের অথবা তাদের যৌনসঙ্গিনীর চাহিদার তুলনায় দ্রুত বীর্যপাত করে ফেলেন। প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনের সহজ বাংলা হলো দ্রুত বীর্যপাত হওয়া। যদি এটা কদাচিৎ ঘটে তাহলে তেমন সতর্ক হওয়ার কারণ নেই। কিন্তু যদি নিয়মিত আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর ইচ্ছার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে অর্থাৎ যৌনসঙ্গম শুরু করার আগেই কিংবা যৌনসঙ্গম শুরুর একটু পরে আপনার বীর্যপাত ঘটে যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার যে সমস্যাটি হচ্ছে তার নাম প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন একটি সাধারণ যৌনগত সমস্যা। পরিসংখ্যানে ভিন্নতা রয়েছে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজন এ সমস্যায় আক্রান্ত হন। যদিও এটি একটি সাধারণ সমস্যা, যার চিকিৎসা রয়েছে; কিন্তু অনেক পুরুষ এ বিষয়ে তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে কিংবা চিকিৎসা নিতে সঙ্কোচ বোধ করেন।

কনডম ছাড়া যৌন মিলন করলেও সন্তান হবে না!

জন্ম নিয়ন্ত্রণের ওষুধ, কিংবা কনডমসহ আধুনিক যেকোন পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জম্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি ভালভাবে জানা থাকলে এর জন্য কোন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার দরকার হয় না। মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র (গবহংঃৎঁধষ পুপষব) প্রাকৃতীকভাবে নির্ধারিত। এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস (ঝধভব ঢ়বৎরড়ফ) হিসেবে ধরা হয়। এই দিবসগুলোতে মিলনের ফলে মেয়েদের সন্তান সম্ভবা হবে না। এই নিরাপদ দিনগুলো প্রকৃতি গতভাবেই নির্দিষ্ট। এ পদ্ধতি বলা হয় প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এটাকে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলে থাকেন। তবে এ পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার সঙ্গীনীর ঋতুচক্রের নিরাপদ দিনগুলো। এ জন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কিনা, হলে তা কতদিন পরপর হয়। এবার সবচেয়ে কম যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ওই দিনটিই হলো প্রথম অনিরাপদদিন। সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ঐ দিনটিই হলো শেষ অনিরাপদ দিন। মনে করুন মাসিক ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হয়। তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিনগুলোতে অন্য কোনো পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে। ১০ম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই ১০ম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম করতে হবে। আবার যেহেতু ৩০ দিন হলো দীর্ঘতম মাসিকচক্র। তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০ তম দিন আপনার জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস। ২১ তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাঁধ সঙ্গম করতে পারবেন। তাতে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা নাই। তবে এই উদাহরণে শুধু ১০ ম থেকে ২০ ম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাঁধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণ করার সম্ভাবনা আছে। উপরে যেভাবে বলা হয়েছে, তাতে অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তবে হিসাবের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি হল, মাসিক শুরুর পর ১ম ৭ দিন আর মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন অবাঁধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নাই।

মেয়েরা কখন যৌন মিলনের জন্য পাগল হয়ে ওঠে


১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়। ২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া। ৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দকরে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়। ৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের”বীর্যপাত” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।৫.
ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য সেক্সের কোন দরকার নেই। ৬. যোনিতে পেনিস ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম। ৭. লম্বা পেনিসের চেয়ে মোটা পেনিসে মজাবেশী। লম্বা পেনিসে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়। ৮. মেয়েদের যোনির সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, পেনিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পেনিসের দরকার হয় না।বাচ্চা ছেলের পেনিসও এই মজা দিতে পারে।অনেক ছেলে কিংবা মেয়েরা চায় বিপরীত লিংঙ্গের মানুষটি তার সাথে মিলিত হোক।

মেয়েদেরকে তারাতারি যৌন্য মিলনে উত্তেজিত করার উপায়

মেয়েদের সবচেয়ে সংবেদনশীল অঙ্গ হলো ভগাঙ্কুর বা ক্লিটোরিস (clitoris)। স্তনবৃন্ত, উরুদ্বয়, কানের লতি বা কানের নিচে, ঘাড়, ঠোঁট সহ যে কোন অঙ্গই সংবেদনশীল হতে পারে। ভগাঙ্কুরে জিহ্বা দিয়ে লেহন করে বা আঙুল দিয়ে ঘর্ষণ করে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি উত্তেজিত করা সম্ভব। এছাড়া একেকজনের একেক রকম রুচি বা ভালো লাগা থাকে। এসব জেনে নিতে হয়। উত্তেজিত হলে মেয়েদের যৌনাঙ্গ ফুলে ফাঁপা হয়ে উঠবে, অতিরিক্ত ভিজে পিচ্ছিল হয়ে যাবে, স্তনবৃন্ত শক্ত হয়েফুলে উঠবে, নিঃশ্বাস দ্রুত এবং গাঢ় হয়ে আসবে, মুখে নানারকম শব্দ হবে। প্রায় বেশীর ভাগ মহিলারাই যৌন মিলনের পরে একান্ত ঘনিষ্ঠ মুহুর্ত চায়৷ সে চাহিদায় তারা পরিতৃপ্ত না হতে পারলে তাদের সঙ্গীর শারীরিক সংসর্গ তাদের খুশী করতে পারে না৷ এই অতৃপ্তির কারণেবেশীর ভাগ মহিলারই তার পুরুষ সঙ্গীটিকে Selfish বলে মনে হয়৷ কারণ তাদের মতে যৌন পরিতৃপ্তির সঙ্গে মানসিক সান্নিধ্যও সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ আর মানসিক ছোঁয়া তারা অনুভব করেন মিলন পরবর্তী সান্নিধ্যর মাধ্যমে৷

নারীদের যোনি টাইট বা সঙ্কোচনের উপায় জেনে নিন!

প্রশ্ন: নারীদের যোনি টাইট বা সঙ্কোচনের উপায় আছে কি? অনেকেই এই পোস্টটিকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখবেন আমি জানি। কিন্তু আপনাদের উপকারের কথা চিন্তা করেই আজকে এই পোস্টটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি।


গোপনাঙ্গে মুখ দেয়া সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?

ইসলাম এটিকে হারাম বলেছেন কারন নাপাক জায়গায় মুখ দিলে মানুযের মুখ আপবিএ হয়। যা ইসলামে সম্পৃণ নিষিদ্ধ। প্রথমতঃ শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে করা স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয়তার ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক কোন হস্তক্ষেপ করেন না। তারা নিজেদের শারীরিক সুখের ব্যাপারে কি করবে না করবে সেটা তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে অস্বাস্থ্যকর যৌনকর্ম ইসলামে নিষিদ্ধ। যেমন পায়ুপথে যৌনমিলনে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঝুঁকির সম্ভাবনা পাওয়া
গেছে, ইসলামে অনেক আগে থেকেই নিজের স্ত্রীর সাথেও পায়ুপথে যৌন মিলনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
যৌনাঙ্গে মুখ দেওয়া হারাম না হালাল সেটা নিয়ে অনেক মতপার্থক্য আছে। একদল মনে করেন, যে মুখ দিয়ে আল্লাহ ও রাসূলুল্লাহ (সাঃ)

 

ব্যায়াম ছাড়া মাত্র ২ সপ্তাহে ওজন কমান ১৫ পাউন্ড

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে শুধু শসার একটি ডায়েটে আপনি মাত্র ১৪ দিনে ১৫ পাউনড পর্যন্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলতে পারবেন। ঘড়ি ধরে খাবার ঝামেলা নেই। শসার সাথে খেতে পারবেন অন্য খাবারও। আবার ব্যায়াম করার যন্ত্রণাও নেই। কেবল একটা সহজ নিয়মে দারুণভাবে কমবে আপনার ওজন। ডায়েটের পদ্ধতিটি জানার আগে আসুন জেনে নিই শসার কিছু পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে। শসার পুষ্টি উপাদান :

শসা ভিটামিন এবং মিনারেল পরিপূর্ণ একটি সবজি যার প্রায় ৯৬ শতাংশই পানি। শসা

মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে ? জেনে নিন নতুন চুল গজানোর এক অব্যর্থ কৌশল

মাথার চুল পড়ে যাওয়া আজকাল কমবেশি সকলেরই সমস্যা। চুল একবার পড়ে যাওয়ার পর নতুন করে চুল গজানো যেন অসম্ভব একটি ব্যাপার! তবে হ্যাঁ, এই অসম্ভবকে সম্ভব করারও আছে উপায়। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন রাতে ঘুমানোর আগে করুন একটি সহজ কাজ। এই কাজটি আপনার খালি হয়ে যাওয়া মাথায় নতুন চুল গজাতে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আর এতে আপনার কাজে আসবে খুব সাধারণ অলিভ অয়েল ও রসুন! হ্যাঁ, রসুনেই গজাবে চুল!
রসুনে আছে উচ্চমাত্রার সালফার, ভিটামিন সি, সেলেনিয়াম এবং হরেক রকম খনিজ উপাদান যারা নতুন চুল গজাতে অত্যন্ত সহায়ক। রসুনে উপস্থিত কপার নতুন চুল

ব্রণ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে চন্দনের ৫ ফেসপ্যাক

রূপচর্চায় চন্দন সেই আদিকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চন্দন মূলত একটি সুগন্ধি গাছ। এই গাছ থেকে চন্দনের গুঁড়ো তৈরি করা হয়ে থাকে। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে চন্দনের জুড়ি নেই। এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের ব্রণ ও নানান রকম সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে থাকে।
চন্দনের উপকারীতা – – চন্দনের গুঁড়া ত্বকের কালো দাগ দূর করে থাকে। – ব্রণের দাগ,

কলপ ছাড়াই দূর করুন পাকা চুলের যন্ত্রণা


মধ্যবয়সে চুল পেকে যাওয়া শুরু হলেই কলপের শরণাপন্ন হন অনেকে, কেউ বা পার্লারে গিয়ে চুল ডাই করিয়ে আসেন। কিন্তু প্রচুর ক্ষতিকর এসব রাসায়নিক আপনার চুলের আরও বারোটা বাজিয়ে দেয়। আসুন, জেনে নেই পাকা চুলের সমস্যা সমাধানের একেবারে প্রাকৃতিক একটি উপায়!
বয়স হবার প্রমাণ দেখা যায় কালো চুলের মাঝে সাদার উঁকিঝুঁকিতে। স্ট্রেস, অসুস্থতা, বংশগতি অনেক কারণেই কম বয়সেও চুল পেকে যেতে পারে।

ত্বক করে তুলুন নিখুঁত দীপ্তিময় মাত্র চারটি কাজে

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে আপনার ত্বকও থাকবে স্বাস্থ্যজ্জল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু কোনো কোনো দিন ত্বক থেকে হারিয়ে যায় এই দীপ্তি। জেনে রাখুন সেসব খারাপ দিনেও ত্বকে সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার সবচাইতে সহজ কৌশল।
১) এক্সফলিয়েট করুন – নিয়মিত এক্সফলিয়েট করার ফলে ত্বক থেকে ময়লা এবং মৃত কোষ জমে থাকতে পারে না। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে তো এটা আরও বেশি জরুরী।

যৌন জীবনকে রোমাঞ্চকর করতে এই খবারা গুলো আপনাকে সাহায্য করবে!

যৌনতা, স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। জীবনে এটির পরিমাণ পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে বিশেষ কোনো রোগ আপনাকে হামলা করতে পারবে না। তবে যৌনজীবনকে যদি আরো রোমাঞ্চকর করতে চান, বেশ কিছু খাবার আপনাকে সাহায্য করতেই পারে। আপনাদের জন্য তেমনই কিছু খাবারের তথ্য।
(১) অ্যাভোকাডো খাওয়া যৌনতার জন্য বেশ উপযোগী। এ ছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে অসম্পৃক্ত ফ্যাট বর্তমান এবং সম্পৃক্ত ফ্যাটের পরিমাণ

শরীরে পানি জমা পরতিরোধে যা করবেন

সচরাচর টের না পেলেও কম বেশি প্রতিটি মানুষেরই শরীরে পানি জমে থাকে। ভয়ের কোনো কারণ, এটা খুবই সাধারণ বিষয়। ভয়ের কারণ তখনই যখন তা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের শরীরে পানি জমে বেশি।
এর পেছনে কাজ করে বেশ কিছু হরমোন। এছাড়া কিডনির রোগ, থাইরয়েড, হৃদরোগ ও যকৃতের সমস্যাতেও শরীরে পানি জমতে পারে। তবে কিছু সাবধানতা

পুরুষ এবং নারী! কে কখন যৌন মিলন করতে চায়?

পুরুষরা সাধারণত রাতের বেলায় সেক্স এড়িয়ে চলতে চায় । এ ক্ষেত্রে সকালের দিকটাকেই তারা বেছে নেয়। অন্যদিকে নারীরা রাতের বেলায় সেক্স করতে আগ্রহী। দেখা যায়, রাতের বেলায় নারীরা যখন সেক্স করার জন্য বেপরোয়া হয়ে উঠে ঠিক তখন পুরুষরা নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। আবার সকাল বেলা যখন পুরুষরা সেক্স করতে চায় তখন নারীদের এ নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ থাকেনা। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আসলে এমনটি কেন হয়। আসুন দেখা যাক, কোন সময় মানুষের যৌন প্রণোদনা কেমন হয়।

শিশুর সঠিক বৃদ্ধিতে খাওয়ান সঠিক খাবার

শিশুর প্রথম ও আদর্শ খাবার হল মায়ের বুকের দুধ। কিন্তু ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুর বাড়ন্ত শরীরে পুষ্টি চাহিদা মেটাতে যোগ করতে হয় বাড়তি খাবার। ডাল-চাল বা সবজি দিয়ে খিচুড়িসহ শিশুর মুখোরোচক নানা রকম পুষ্টিকর খাবার দেয়া হয়। অথচ এসব খাবারে এমন কিছু যোগ হয় যা শিশুর হজমে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরি করে। কিন্তু নিয়ম জানা থাকলে শিশুর বৃদ্ধিতে সঠিক খাবার প্রস্তুত করা খুবই সহজ। কী খাওয়াবেন –
জন্মের প্রথম দিন থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে অবশ্যই মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বর্ধন ও বিকাশের জন্য বুকের দুধই যথেষ্ট। ছয় মাসের পর থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি শিশুকে বাড়তি খাবার শুরু ক

বক্ষযুগলের সৌন্দর্য পুনরায় ফিরিয়ে আনার অত্যন্ত কার্যকরী ৫টি উপায়

স্তনের আকৃতি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা স্তন ঝুলে যাওয়া নারীদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর একটি সমস্যা। বয়স, ওজন, অসুখ, যত্নের অভাব, বাজে লাইফ স্টাইল ইত্যাদি নানান কারণেই স্তনের আকৃতি সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। যার কারণে দাম্পত্য জীবনেও দেখা দেয় নানা সমস্যা। স্তনের সৌন্দর্য ও শেপ নষ্ট হয়ে গেছে? ৫টি কৌশল আপনাকে ফিরিয়ে দেবে আপনার হারিয়ে ফেলা সৌন্দর্য। আবার নিয়ম করে মেনে চললে স্তনের শেপ নষ্ট হওয়াও প্রতিরোধ করবে।
১/ জাদুকরী ফল দেবে অ্যালোভেরা : এই জাদুকরী উপাদানটি ত্বক টান টান করে স্তনকে আবার উন্নত করে তুলতে খুবই কার্যকর। এর অ্যান্টি অক্সিডেনট উপাদান ভেতর থেকে আপনার স্তনকে সুন্দর করে তোলে। অ্যালোভেরা থেকে ভেতরের জেল জাতীয় উপাদান বের করে নিন।

মাত্র ১ মিনিটে ঘুমিয়ে পড়ার জাদুকরী কৌশল!


প্রতিদিনই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ার ইচ্ছে থাকলেও কিছুতেই সময়মত ঘুমাতে যাওয়া হয়না। কোনো না কোনো কারণে দেরী হয়েই যায়। আবার সময়মত ঘুমানোর জন্য বিছানায় গেলেও এপাশ ওপাশ করে ঘুম আসে না। ভালো ঘুমের জন্য কী করা উচিত তাহলে?
ঘুম না আসা খুবই যন্ত্রণাকর একটি ব্যাপার। বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করা এবং ঘড়ির দিকে তাকিয়ে রাত পার

নারীদের যোনি টাইট বা সঙ্কোচনের উপায় জেনে নিন!

প্রশ্ন: নারীদের যোনি টাইট বা সঙ্কোচনের উপায় আছে কি? অনেকেই এই পোস্টটিকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখবেন আমি জানি। কিন্তু আপনাদের উপকারের কথা চিন্তা করেই আজকে এই পোস্টটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। উত্তর: সাধারনত দেখা যায় কোন বিবাহীত নারী ১টি বা ২টি সন্তান জন্ম দেয়ার পর তাদের যোনির অবস্থা এমন হয় যেন শুধু চামরার একটি ঠোস যেখানে পুরুষেরা সহবাস করে তেমন সুখ পায় না। এতে করে যেমন সংসারে অশান্তি দেখা দেয় তেমনি সংসার ভাঙ্গার ঘটনাও কম নয়। আবার অনেক মেয়েরা ভুল বসত বা ইচ্ছা বসত বিয়ের আগেই এক বা একাধিক পুরুষের সঙ্গে দেহ সুখ লাভ করে, যার কারণে যোনাঙ্গ ঢিলা হয়ে যায়, পরবর্তিতে বিয়ে করতে ভয় পায় -যদি তার স্বামীর কাছে তার ঘটনা ধরা পরে যায়। আবার অনেক মেয়েরা বিয়ের আগেই দু-বা তিন বার এম-আর করে, তাদের বিবাহিত জীবন দুঃক্ষময় হয়ে উঠে তাদের জন্য আজকের এই পোষ্ট অবশ্যই উপকৃত হবেন আশা করি – স্বামীর ভালোবাসা লাভের সর্ব প্রধান বিষয় হচ্ছে তাকে যৌন সুখ ঠিক ভাবে দেওয়া যৌনসুখ যদি দিতে না পরেন তবে আপনার স্বামী খুব বেশি দিন আপনার থাকবে না এটা নিশ্চিৎ থাকুন। নারীদের যোনি টাইট বা সঙ্কোচনের প্রথম পদ্ধতি : দুগ্ধী নামক এক প্রকার ঘাস আছে বা গ্রামের মানুষ যাকে দুবলা ঘাস বলে চিনেন। আপনি নিজে না চিনলে কোন বয়স্ক লোক দের জিজ্ঞাসা করুন এবার সেই ঘাস যোগাড় করে সে গুলো ছায়াতে শুকাতে হবে এবং স্বযত্নে রেখে দিন। এবার সহবাসের ঠিক দু ঘন্টা আগে সেই ঘাসগুলো হাতে নিয়ে আপনার যোনির সাইজ অনুযায়ী ছোট একটি পুটলি করুন এবং আপনার যোনির মধ্যে ভরে রাখুন। এবার সহবাসের ঠিক আগ মুহুর্তে সুযোগ বুঝে সেটা বের করে ফেলুন। ১৮ বছরের যুবতির ন্যায় আপনার যোনি টাইট ও পুরুষের জন্য সুখ দায়ক হবে। এটা নিশ্চিন্তে একটি নিরাপদ ও নিশ্চিত উপায়। নারীদের যোনি টাইট বা সঙ্কোচনের দ্বিতীয় পদ্ধতী : মাজুফল ও চিনিয়া কর্পুর – অবশ্যই ঠাটারি বাজারে পাবেন বা যেখান থেকে পারেন যোগার করুন। এবার এগুলো পাটাতে পিষে কাপর দিয়ে ছেকে নিন এবং খাটি মধুর সঙ্গে মিশিয়ে এক একটি বরই/কুল এর আকারে বরি তৈরী করুন এবং সহবাসের ৪ঘন্টা আগে একটি বরি যোনিতে ঢুকিয়ে রাখুন এবং সহবাসের আগে বের করে ফেলুন। আপনার যোনি এতেও নিশ্চিত সঙ্কোচ হবে। তথ্যসুত্র:সাজঘর